পরিবার বড়।মনে থাকে কম।
পুরোনো ছবির একটা বাক্স আছে, যার অর্ধেক মানুষকে তুমি চেনোই না। একজন নানি, যাঁর এখনো সবার নাম মনে আছে। আর একটা ফ্যামিলি গ্রুপ, যেখানে কেউ বলতে পারে না এই ভদ্রলোক কার ছেলে। শুধু বলো — SeeWider গাছটা এঁকে দেয়, যত্ন করে রেখে দেয়।
ফ্রি, কার্ড লাগবে না। নাম আর সম্পর্ক, যেভাবে বাড়িতে বলো।
সবাইকে চেনা চেনা লাগে।
কারো নাম জানা নেই।
ছবির পেছনে কিছুই লেখা নেই। মানুষগুলোকে একসময় সবাই চিনত।
যেভাবে খেতে বসে গল্প করো।
“ইনি নানা, আর ইনি নানি। আম্মু সবার বড় — ছোটটা শিরিন খালা।”
সবাই যার যার জায়গায়।
খালা আম্মুর দিকে, চাচা আব্বুর দিকে। তারপর লিংকটা ফ্যামিলি গ্রুপে পাঠাও, যাতে তুমি যে নামগুলো জানো না, বাকিরা সেগুলো বসিয়ে দেয়।
শুরুতে শুধু তুমি।
একটু পিছিয়ে দাঁড়াও।
“আমার মায়ের ভাই” বলতে হবে না। শুধু বলো “মামা” — SeeWider বুঝে যায় কোন দিকের, আর ঠিক সেখানেই বসিয়ে দেয়। যেকোনো একটা বাক্যে চাপ দাও।
তোমার খালাতো বোনের প্রোফাইল আছে, ছবিও ওখানেই। প্রোফাইলটা পাঠাও — নাম আর ছবিসহ ও চলে আসবে তোমার বোর্ডে।
রাজশাহী
ঈদ ’৭৯। এই ছবির প্রত্যেকের একটা নাম ছিল।
পেছনে নানা পেনসিলে লিখে রেখেছিলেন, কে কে।
যে-ই চলে যায়, সঙ্গে কয়েকটা নামও নিয়ে যায়।
এখন শুধু আম্মুর মনে আছে।
আম্মুর মনে থাকতে থাকতেই, লিখে রাখো।
আমার ফ্যামিলি ট্রি শুরু করি
যেকোনো কার্ডে চাপ দাও।
এই ভদ্রলোক কে, যিনি এমনভাবে জড়িয়ে ধরলেন যেন কত দিনের চেনা?উল্টাও →
ফোনটা বের করো, নামটা লেখো: “আব্বুর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে”। এক সেকেন্ড, আর জোর করে হাসতে হবে না।
১২ সেকেন্ডইশ, একবার যদি জিজ্ঞেস করতাম ওনার আব্বা কে ছিলেন।উল্টাও →
নানির এখনো মনে আছে। পরের বার ওনার পাশে বসলে শুধু শোনো আর লিখে রাখো। গল্পগুলো মানুষগুলোর পাশেই থাকবে, সেই নাতি-নাতনিদের জন্য যারা এখনো জন্মায়নি।
পরের প্রজন্মের জন্যফুপু, এই ছবির ভদ্রমহিলা কে?উল্টাও →
গ্রুপে একটা লিংক। সবাই একই জিনিস দেখে, যে যা জানে যোগ করে, আর ছবিটা স্টিকারের ভিড়ে হারায় না।
একটা লিংকবলো
একটা বাক্য, একটা অনুচ্ছেদ, বা নানির হাজারবার বলা সেই গল্পটা।
দেখো, তারপর টিক দাও
তোমার হ্যাঁ ছাড়া কিছু বদলায় না। যেটা তুমি বোঝাতে চাওনি, টিকটা তুলে দাও।
পরিবারকে পাঠাও
তোমার খালাতো বোন এমন নাম জানে যা তুমি জানো না। শুধু যে শাখাটা চাও, সেটাই শেয়ার করো।






খালি বোর্ড দেখে ভয় পেয়ো না। ১৮টি বিখ্যাত পরিবার, দেখে নাও একটা ভরা গাছ দেখতে কেমন।
সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই।
১টি বোর্ড আর মাসে ২০ বার অ্যাসিস্ট্যান্ট। এক পরিবারের তিন প্রজন্মের জন্য যথেষ্ট। কার্ড লাগবে না, মেয়াদও ফুরোবে না।
আমার গাছ কি আর কেউ দেখতে পায়?
না, যদি না তুমি নিজে লিংক দাও। তখনো চাইলে শুধু একটা শাখা দেখাতে পারো, বাকিটা নিজের কাছে রাখো।
iPhone-এ চলে?
অ্যাপটা আপাতত শুধু Android-এর, তবে ওয়েব ভার্সন যেকোনো ফোন বা কম্পিউটারে খোলে — iPhone-এও।
সবার নাম কি টাইপ করতে হবে?
না। শুধু বলো, অ্যাসিস্ট্যান্ট নিজেই মানুষ আর সম্পর্কগুলো বের করে নেয়। তুমি শুধু হ্যাঁ বলো।
এটা কি শুধু পরিবারের জন্য?
না। সহকর্মী, ক্লাসের বন্ধু, দোস্ত — জীবনে যার যেখানে জায়গা, সবাই এক বোর্ডে।
নানির এখনো মনে আছে।
আজই জিজ্ঞেস করো।
আজ যে নামটা জিজ্ঞেস করলে না, কাল হয়তো উত্তর দেওয়ার কেউ থাকবে না।













